শিশুদের কাছে আনন্দ পৌঁছে দিতে চাই -স্মৃতি - হাতেখড়ি

শিশুদের কাছে আনন্দ পৌঁছে দিতে চাই -স্মৃতি

সাহিত্য ডেস্ক:

এবার মেলায় এসেছে তরুণ লেখক লুৎফুন নাহার স্মৃতির প্রথম গল্পের বই এত আনন্দ রাখব কোথায়। বইটি প্রকাশ করেছে শিশুদের প্রকাশনা সংস্থা বাবুই। বইটি মেলায় বেশ ভালো বিক্রি হচ্ছে।

প্রথম বই প্রকাশের অনুভূতি জানতে চাইলে লুৎফুন নাহার স্মৃতি জানান, বই প্রকাশের আগে ভীষণ একসাইটেট ছিলাম, ভীষণ উদ্বেলিত ছিলাম। বইটা কীভাবে নিবে পাঠকরা। বইটার প্রতি পাঠকের আগ্রহ দেখে লেখালেখির প্রতি আমার দায়বোধ আরো বেড়ে গেছে।

ছোটদের জন্য লেখালেখি করেন কেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- আমি ছোটবেলা থেকেই লিখেছি। পেশাগতভাবে আমি লেদার ইঞ্জিনিয়ার। পড়াশোনা ও ক্যারিয়ারের কারণে মাঝখানে কিছুদিন লেখালেখিতে বিরতি ছিল। তবে ছোটদের লেখায় আনন্দ খুঁজে পাই বলে ফিরে এসেছি। আমার সন্তানকে বড় করেছি আনন্দ দিয়ে। তাই আমি মনে করি, পৃথিবীর সব সন্তানের এই আনন্দ পাওয়ার অধিকার আছে। আমার লেখার মাধ্যমে বাংলাদেশের সব শিশুদের কাছে আনন্দ পৌঁছে দিতে চাই। এ কারণে ছোটদের নিয়ে লিখি। এটা আমার দায়বদ্ধতা।

আপনার বইটি সম্পর্কে পাঠকদের উদ্দেশে কী বলবেন?
‘‌এত আনন্দ রাখব কোথায়’ বইটিতে তিনটি গল্প আছে। একটি বাস্তব কাহিনি ‘এত আনন্দ রাখব কোথায়’ আর একটি ভূতের গল্প এবং অন্যটি সায়েন্স ফিকশন। তিনটি ভিন্নস্বাদের গল্প পড়েই ক্ষুদে পাঠকরা আনন্দ পাবে। গল্পগুলো আট থেকে ষোল বছর বয়সের সবারই  ভালো লাগবে। আমার মনে হয় গল্পগুলো বড়দেরও ভালো লাগবে।

লেখালেখির উৎসাহদাতা কে?
লেখালেখির উৎসাহদাতা আমার মন ও মনন। আমার মাথায় সারাক্ষণ গল্প ঘুরপাক খায়। সেগুলো লিখে রাখি।

তরুণ লেখক হিসেবে কেমন সাড়া পাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, মজার বিষয় হলো, পরিচিত-অপরিচিত সবার কাছেই ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছি। শিশুরা এত বই কেনে দেখে আমি খুব অবাক হচ্ছি। আমার বইটাও তারা নেড়েচেড়ে দেখছে। বই কিনে অটোগ্রাফ নিচ্ছে। ভালোই লাগছে।

ভবিষ্যৎ ভাবনা কী?
ভবিষ্যতে আমি আরো লিখতে চাই। নানা বয়সী শিশুদের উপযোগী সৃজনশীল বই লেখায় আরো মনোযোগী হতে চাই। আগামীতে উপন্যাস ও গবেষণাধর্মী বইও লেখার ইচ্ছে আছে আমার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *