ওয়ার্নারের হার ডি ভিলিয়ার্সের জয় - হাতেখড়ি

ওয়ার্নারের হার ডি ভিলিয়ার্সের জয়

জিনিয়াঃ

বিপিএলে আজ দিনের প্রথম ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সকে ৪ উইকেটে হারিয়েছে রংপুর রাইডার্স। সিলেট সিক্সার্সকে হারালেন ফিল্ডাররা। বিস্ময়ের কিছু নেই। পুরো ব্যাপারটাই স্বাভাবিক। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ব্যাটসম্যানের একটি নয় দুটি নয়, তিন-তিনটি ক্যাচ ছাড়ার পর সিলেটের ফিল্ডারদের মুখভঙ্গি দেখে অন্তত এমনটাই মনে হয়েছে। ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস—ক্রিকেটের এই আপ্তবাক্যে জাকের-পুরানদের যেন কোনো আস্থা নেই!আদতে ঘটেছে সেটাই।

সোমবার অস্ট্রেলিয়া ফিরে যাবেন ডেভিড ওয়ার্নার। তার আগে শনিবারের ম্যাচটি ছিল আসরে তার শেষ ম্যাচ। কিন্তু নিজের শেষ ম্যাচটি জয় দিয়ে রাঙাতে পারলেন না অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই সহ অধিনায়ক।

এদিন টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সাব্বির রহমান ও নিকোলাস পুরানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯৪ রান করে সিলেট। সাব্বির ৫১ বলে করেন ৮৫ রান। আর পুরান ২৭ বলে করেন অপরাজিত ৪৭ রান।

১৯৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল রংপুর রাইডার্স। বেশ কঠিন লক্ষ্য। অর্থাৎ, প্রতিপক্ষ শিবিরে এবি ডি ভিলিয়ার্স থাকলেও সিলেট সিক্সার্স বোলারদের জন্য কিছুটা স্বস্তির জায়গা ছিল। কিন্তু স্বস্তি উবে গেছে সিলেটের ফিল্ডারদের অবিশ্বাস্য ক্যাচ ছড়ার প্রদর্শনীতে। যে রাইলি রুশো আগের তিন ম্যাচেই ঝোড়ো ফিফটি পেয়েছেন, শুধু তাঁর-ই তিনটি ক্যাচ ছাড়লে ম্যাচের আর কিছু থাকে!

শেষ পর্যন্ত থাকেওনি। দুই প্রোটিয়ার মার মার কাট কাট ব্যাটিংয়ে ঠিকই জয়ের পথে ছিল রংপুর। কিন্তু ১৪তম ওভারে রংপুরের জয়ের এই সমীকরণ উল্টে দেন সিলেটের পেসার তাসকিন আহমেদ। ওই ওভারে রুশো ও ডি ভিলিয়ার্সকে তুলে নেন তিনি। এরপর জয়ের পথ থেকে ধীরে ধীরে ছিটকে পড়ার শঙ্কায় ছিল রংপুর। কিন্তু মাশরাফি ও ফরহাদ রেজা মিলে রংপুরকে এনে দিয়েছেন দুর্দান্ত এক জয়। দল ১২ বলে ২৪ রানের সমীকরণে থাকতে ১৯তম ওভারে বোলার মেহেদী হাসান রানার কাছ থেকে ১৯ রান তুলে নেন দুজন। শেষ ওভারে দরকার ছিল ৫ রান। ৩ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটের জয় তুলে নেন ফরহাদ ও মাশরাফি। ৬ বলে ১৮ রানে অপরাজিত ফরহাদই রংপুরকে শেষ দিকে এনে দিয়েছেন এই দুর্দান্ত জয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *