পেশা বাছাইয়ে সন্তানের সাথে অভিভাবকদের খোলামেলা থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ -আদ্রতা - হাতেখড়ি

পেশা বাছাইয়ে সন্তানের সাথে অভিভাবকদের খোলামেলা থাকা খুব গুরুত্বপূর্ণ -আদ্রতা

সাতক্ষীরা নলতা আহসানিয়া মিশন রেসিডেনশিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির মেধাবী শিক্ষার্থী আদ্রতা খান প্রজ্ঞা। ঢাকার মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসিতে গোল্ডেন এপ্লাস পাওয়া এই কিশোরী একইসাথে  ডিবেট, উপস্থিত বক্তৃতা, লেখালেখি, ফটোগ্রাফী, ছবিআঁকা, আবৃত্তি, অভিনয়, কসপ্লে, গান এবং দৌঁড়াসহ বিভিন্ন খেলাধুলায় পারদর্শী। নিজেকে ভলেন্টিয়ার হিসেবে যে কোন কাজে যুক্ত রাখতে ভালবাসে সে। টেনমিনিট স্কুলে ইন্টার্ন ব্লগ লেখা ও আশ্রয়ের সাথে যুক্ত আছে পিআর হেড হিসেবে।  পিতা খান বাবুল হোসেন ও মাতা কে.এম.ফাতেমা রহমান অনু দম্পত্তির দুই সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ আদ্রতা। ছোটভাই আরণ্য আবীর খান প্রাপ্য ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। ঢাকার সাভারে জন্মনেয়া এই দূরন্ত প্রতিভাবান শিক্ষার্থী ইতিমধ্যে কিশোর-কিশোরীদের মাঝে আইডল হয়ে উঠেছে। স্যোসাল মিডিয়া, বিভিন্ন অলিম্পিয়াড ও টেলিভিশনেও জনপ্রিয় আদ্রতা। হাতেখড়ি’র আজকের ক্ষুদে তারকার মুখোমুখি আব্দুল্লাহ আল মামুন

হাতেখড়ি: প্রথমে পছন্দ ও অপছন্দ সম্পর্কে জানতে চাই।

আদ্রতা: ভাল লাগে মানুষ কে সাহায্য করতে, গান শুনতে, দেশকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে। মানুষে মানুষে যখন ভালবাসা ছড়িয়ে যায় তখন ভাল লাগে। মা বাবা খুশি থাকলে অনেক ভাল লাগে। অপছন্দ হল সকল প্রকার মিথ্যা, ঝগড়া, যুদ্ধ এবং মানুষে মানুষে ভেদাভেদ। আর তাই চাই ভালবাসা ছড়িয়ে পড়ুক সবখানে।

আমার প্রিয় ব্যক্তি হলেন আমার মা। প্রিয় খেলা ফুটবল। প্রিয় বই যেকোন জীব বিজ্ঞান বই। এতো এতো বিজ্ঞান বই ভাল লাগে যে বাছাই করা কঠিন। প্রিয় সিনেমা অনেক- আমার বন্ধু রাশেদ, গেরিলা, ছুটিরঘণ্টা, আয়নাবাজি, অজ্ঞাতনামা ভাল লেগেছে খুব। বিদেশি সিনেমা তে মুসিয অর্থাৎ অলৌকিক ভাল লেগছে, লুসি, মিরাকেল ইন সেল নম্বর সেভেন, ইন্টারস্টেলার, সসাংক রিডেম্পশন, নোটবুক,এ ওয়াক টু রিমেম্বার, দি ফল্ট ইন আউয়ার স্টারস এবং দি ম্যান হু নিউ ইনফিনিটি। আর বিজ্ঞান বিষয়ক সকল সিনেমা ভাল লাগে। টিভি অনুষ্ঠান বিগ ব্যাং থিওরি, সারলক, টু এন্ড আ হাল্ফ মেন, মডার্ন ফ্যামিলি, দ্যা সিম্পসন্স, স্ট্রেঞ্জার থিংস ইত্যাদি।

হাতেখড়ি: একই সাথে অনেক কিছুতে পারদর্শী হলে কিভাবে?
আদ্রতা: 
ক্লাস ফোর থেকে আমি ম্যাপেল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, এক ইংলিশ মিডিয়াম থেকে বাংলা মিডিয়াম -মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরিতে স্থানান্তরিত হই। প্রথম প্রথম সমাপনী পরীক্ষা দিয়ে অবাক হয়েছিলাম এপ্লাস পেয়ে। আমার সাথে সাথে সবাই অবাক হয়েছিল। আম্মুকে সবাই জিজ্ঞেস করছিল আমাকে কি খাওয়ায়? যা অনেক মজার বেপার, কেউ মেনেই নিতে চাইছিল না ইংরেজি হতে বাংলা মাধ্যমে এসে কিভাবে পড়াশুনা করছি। ছোটবেলায় আমি নিজে নিজে ওয়ালে লিখে লেখা শিখেছি, কার্টুন এবং সিনেমা দেখে ইংরেজি আর হিন্দি শিখেছি। বাংলা মাধ্যমে নতুন আসায় আমার সাথে কেউ মিশতো না, অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু ছিলেন মা। এখনো মা আমার সবচেয়ে কাছের বন্ধু এবং মা ছাড়া কেউ আপন না, এটা আমি অনেক বারই প্রমান পেয়েছি। অষ্টম শ্রেণিতে পণ করেছিলাম, যে করেই হোক ভাল করব এবং নিজেকে আরো ভাল করে তৈরী করব, কারণ ক্যাডেট পরীক্ষা দিয়ে চান্স না পাওয়ায় সবাই একটু হতাশ হয়েছিলেন এবং মন খারাপ করেছিলেন, তাদের মন খারাপ দেখতে ভাল লাগেনি বলে এই পণ নিয়েছিলাম।

অষ্টম শ্রেণীতেও গোল্ডেন এপ্লাস পাই আল্লাহ তায়ালা এর অশেষ কৃপায় এবং আমার মা এর সকল কষ্টের| ক্লাস টুতে থাকতে বাবা নিজের কাজের জন্য ল্যাপটপ কিনে আনেন একটি, আমি ল্যাপটপ কি সেটি জানাতো দূরে থাকে আমি জীবনে তা দেখিওনি, তবে বাবা যেদিন এনেছিলেন সেদিনই আমি কারো সাহায্য ছাড়াই সেটি চালানো শিখে গিয়েছিলাম এবং কয়েক সপ্তাহ পর আমি ফেইসবুক এবং ইন্টারনেটের সংস্পর্শে এসেছিলাম। যা হতে আমি বিভিন্ন সায়েন্স আর্টিকেল ও গেমিং সাইট পড়া শুরু করেছিলাম যা পরবর্তীতে আমার কাজে দিয়েছে। একারনে আমার ক্লাস টু হতেই ফেইসবুক একাউন্ট আছে। ৮ম শ্রেণীতে থাকাকালীন আমি সাহস করে ন্যাশনাল হাই স্কুল প্রোগ্রামিং কনটেস্টে অংশগ্রহণ করলাম, আমি ভয় পেতাম যে আমি পারবোনা তবে এবার আমি চান্স নিয়ে দেখলাম এবং সেবার আমি আঞ্চলিক পর্যায়ের বিজয়ীদের মধ্যে একজন হয়েছিলাম। সেখান থেকে আমার কো-কারিকুলাম এর পথ শুরু। তখন থেকে আমি নিজেকে বলি,”আগে অংশগ্রহণ পরে অর্জন। প্রথমে অংশগ্রহণই মুখ্য বিষয়। “তারপর থেকে আমি যে কম্পেটিশন পেয়েছি তাতেই দিয়েছি এবং কিছু না কিছু পেয়েছি, প্রথম বারে দিয়ে অর্জনের পর আমার আত্মবিশ্বাস বেড়ে গিয়েছিল বললেই চলে। তখন থেকেই আমার পথচলার শুরু। আর এভাবেই সকল বিষয়কে সাহসের সাথে নিয়ে নিয়েছি। চর্চা করেছি কোথাও আটকায়নি।

হাতেখড়ি: এতো এতো সাফল্যের পেছনে কার অনুপ্রেরণা বেশি?
আদ্রতা: ছোট বেলা হতে আমি অনেক দুষ্ট ছিলাম তাই আমি মায়ের হাতে মার্ কম খাইনি এবং বকা কম শুনিনি। যা এখনো  চলমান। আমি মনে করি এই বকা এবং শাসনের আউটপুট হিসেবে আমি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছি। আমি মনে করি প্রতিটি সন্তানকেই শাসনের ভিতর বড় করা উচিত যতটুকু প্রয়োজনীয়। কিছুদিন আগে মা বাসায় ছিলেন না, জরুরী কাজে ঢাকার বাইরে ছিলেন। তখন বুঝেছি মা কি জিনিস। মা ছাড়া জীবনটাই এলোমেলো। তাই যারা এটি পড়ছেন তারা তাদের মা-বাবাকে বেশি করে সময় দিন এবং তাদের খুশি রাখার চেষ্টা করুন।

চতুর্থ শ্রেণীতে আমি পাই আমার শ্রদ্ধেয় পিতৃতুল্য শিক্ষক পলাশ ঘোষ স্যারকে। তিনি আমাকে ছোট থেকে সকল পথ দেখিয়ে দিয়েছেন। তার দেখানো পথে আমি পেয়েছি সকল স্বপ্নের ঠিকানা। শিশুকাল থেকে কলেজ পর্যন্ত স্যার আমাকে সঠিক পথ দেখিয়ে নিজ সন্তানের মতো লালন পালন করেছেন। তার একটি কথা আমাকে অনুপ্রেরণা দেয় যা তিনি নিজে মেনে চলেন, “তুমি কাউকে মাছ ধরে দিওনা, তাকে মাছ ধরা শিখাও। দেখবে সে নিজেই মাছ ধরে জীবন পার করছে। “তবে এ পর্যন্ত আসবার এবং সামনে এগিয়ে যাবার সম্পূর্ণ ক্রেডিট আমার মায়ের। আমার স্কুল এবং কলেজ মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল আমাকে আমার জীবনে অনেক কিছু দিয়েছে যার শোধ আমি কখনোই দিতে পারবোনা, আমি এ প্রতিষ্ঠানে পড়ে আমার স্কুল এবং কলেজ লাইফ এর পুরো স্বাদ নিতে পেরেছি। শ্রদ্বেয় শিক্ষক মন্ডলী বিশেষ করে আমাদের প্রিন্সিপাল, মোহাম্মদ বেলায়েৎ হোসেন স্যারের কাছে আমি চির কৃতজ্ঞ।

হাতেখড়ি: লেখাপড়ার ঠিক রেখে এসকল অতিরিক্ত কাজ করতে লেখাপড়ার কোন সমস্যা হয়েছে কি না?
আদ্রতা: 
কখনোই হয়নি বলতে গেলে, তবে অনেক রাত জাগা হয়েছে। একটি ইভেন্ট শেষ করে অন্য ইভেন্টে না খেয়ে দৌড়ে যাবার কাহিনীও আছে। বরং ইভেন্ট থেকে অনেক কিছু শিখেছি যা আমার জীবন এবং পড়াশোনায় প্রচুর কাজে লেগেছে। যার জন্য বিভিন্ন ইভেন্টে থাকা মেন্টরদের প্রতি আমি চির কৃতজ্ঞ।

হাতেখড়ি:  প্রতিটি কাজেই বাধা থাকে, তোমার পথচলায় কোন বাধা ছিল কি না?
আদ্রতা: অনেক সময় খাদ্য সংকটে ভুগেছি, মরিচ দিয়ে শুধু ভাত খাবার অভিজ্ঞতাও আমার আছে। আমার বাসায় এক সপ্তাহ বিদ্যুৎ ছিলোনা, অন্ধকার রাত্রি জযাপন করেছি, যার কথা কেউ জানেনা, আজ সবাই জানলো। তবে এটি আমার কোন সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়নি। মানুষের ভাগ্য বড়ই পরিবর্তনশীল, কখন কি হয় তা বলা যায়না। তাই সকল অবস্থার সম্মুখীন করতে নিজেকে প্রস্তুত রেখে কতে হবে। থাকার স্থান নিয়ে অনিশ্চয়তায় ভুগছি তবে আশা করি সকল সমস্যা একদিন সমাধান হয়ে যাবে, উপরে একজন আছে আমার সমস্যার সমাধান দেবার। আমি তার প্রতি বিশ্বাসী যে একদিন আমি এবং আমার পরিবার এ সকল সমস্যার সমাপ্তি ঘটবে। অনেক সময়  জীবনের এ পর্যায় পর্যন্ত আসতে আমাকে অর্থের দিক দিয়ে প্রচুর বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। বর্তমানেও হচ্ছি তবে আশা করব এগুলো আমার সাফল্যে কখনো বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

তোমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?
আদ্রতা:
একজন ডাক্তার হওয়া, জানি অনেক সাধারণ এবং পরিচিত একটি পেশা। তবে আমি ডাক্তার হতে চাই কারণ আমার জীববিজ্ঞান প্রচুর ভাল লাগে এবং আমি এ বিষয়ে সর্বদা ভাল করি। ভাল লাগার পথটি বেঁচে নিয়েছি, কেননা জীবনে ভাল কিছু করতে হলে এবং অবসাদ বা ফ্রাস্টেশনে না ভুগতে চাইলে নিজের পছন্দ এবং যে পেশায় আমি ভাল এবং স্বস্তি বোধ করব, সে পেশাতেই যাওয়া উচিত যেন আমি সর্বোচ্চ আউটপুট পেতে পারি তার থেকে। আমার মা বাবা কখনো পেশা সম্পর্কিত কোন বাধা দেননি। তাঁরা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন আমি যেন আমার স্বপ্ন শিখরে পৌঁছাতে পারি। জীবনে পেশা বাছাইয়ে বাবা মায়ের খোলামেলা থাকার বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমি আরো চাই দেশের মানুষের কিছু ভুল ধারণা দূর করতে তবে তার জন্য আমাকে সর্বোচ্চ দিয়ে ভাল কিছু করতে হবে যেন তাদের কাছে আমি অনুকরণের পাত্রী হই। এছাড়া নিজ হতে সমাজ সেবা করার ইচ্ছা আছে এবং দেশের তরুণদেড় নিয়ে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ হিসেবে পরিচিতি পাবার ইচ্ছা আছে। দেশকে আমি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে চাই, পৃথিবীর অনেক মানুষই আমার দেশ সম্পর্কে জানেন না বা জানলেও সে সম্পর্কে ভুল জানেন। তাই বাংলাদেশ এর মেয়ে হয়ে আমি এক টুকরো লাল সবুজ পতাকা হয়ে বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে পড়তে চাই।

হাতেখড়ি: বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এক্সট্রা কারিকুলার এক্টিভিটিস কতটুকু প্রয়োজন?
আদ্রতা: 
আমার মতে প্রচুর প্রয়োজনীয় কারণ: ১. অনেক নতুন কিছু শেখ যায়। ২. বিশ্ব দরবার খোলা থাকে তাদের জন্য।
৩. মন মানসিকতা উদার হয়। ৪. পেশা নির্ধারণ এবং নিজের পছন্দের বিষয়টির সাথে পরিচিত হওয়া সহজ হয়। ৫. স্কলারশিপ পেতে সুবিধা হয়,যেটি আমি দেখেছি।এবং স্কলারশিপ এ এপ্লাই করতে আমার এক্সট্রা কারিকুলাম সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলো, পরবর্তীতে সে স্কলারশীপ হাতিয়ে নেবার সুযোগও পাই।

হাতেখড়ি: বন্ধুদের উদ্দেশ্য কিছু বলো।
আদ্রতা: 
বন্ধু নির্বাচনে প্রচুর সতর্ক থাকতে হবে। আজ পর্যন্ত ভুল এর জন্য আমি প্রচুর খারাপ সঙ্গের সাথে পরিচিত হয়েছি, তাদের ত্যাগ করেছি। তাদের সাথে থাকলে হয়তো আমি খারাপ পথে চলে যেতাম। অনেক মানুষ বন্ধু রূপ ধারণ করে ক্ষতিও করতে চেয়েছে, তবে সেসব হতে সরে এসেছি। আসলে খারাপ এবং ভালো এর দিকটি আমার মা আমাকে শিখিয়েছেন। সকল মা বাবার উচিত বন্ধু নির্বাচন সংক্রান্ত দিকনির্দেশনা তাদের সন্তানদেড় দেওয়া। বর্তমানে আমার অনেক কম বন্ধুই আছে এবং আমি এতেই সন্তুষ্ট।

হাতেখড়ি: হাতেখড়িতে সময় দেওয়ার জন্য  তোমাকে অনেক অনেক  ধন্যবাদ।
আদ্রতা:  আমার হাতেখড়ি’র কার্যক্রম অনেক ভালো লাগে কারণ এর মাধ্যমে তরুণ এবং কিশোর কিশোরীরা নানা কিছুর সাথে পরিচিত হচ্ছে। অনেক মানুষের ইন্টারভিউ পড়ে তারা অনুপ্রেরণা পাচ্ছে। হাতেখড়ি পত্রিকা আশা করি প্রিন্টেড ভার্সন আবার প্রকাশ হবে। অনেক শুভকামনা হাতেখড়ি’র জন্য এবং ধন্যবাদ এই ক্ষুদ্র মানুষটির স্বাক্ষাৎকার নেবার  জন্য। আর যারা আমার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়েছে তাদের প্রতি রইলো ভালবাসা।

একনজরে আদ্রতার কিছু পুরস্কারসমূহ:

ইংরেজি আবৃতি -দ্বিতীয় স্থান -২০১৭-মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল এন্ড কলেজ সাংস্মৃতিক সপ্তাহ। উপস্থিত বক্তৃতা – দ্বিতীয় স্থান -২০১৭-মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল এন্ড কলেজ সাংস্মৃতিক সপ্তাহ। বিজয়ী -“ক্রিয়েটিভ আইডিয়া কম্পেটিশন অফ” এন্টিবায়োটিক আওয়ার্নেস ক্যাম্পেইন অর্গানাইজড বাই বাংলাদেশ মেডিকেল স্টুডেন্টস সোসাইটি অফলিয়েটেড উইথ IFMSA প্রোগ্রাম ও কমুনিকেবল ডিসিসেস ,এ কম্পেটিশন এমং মেডিকেল স্টুডেন্টস -২০১৮( 3.  Winner of “Creative Idea Competition” of Antibiotic Awareness Campaign organized by Bangladesh Medical Students Society Affliated with International Federation of Medical Students Association program on Communicable Diseases, a competition among medical students-2018)।  ন্যাশনাল হাই স্কুল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট – আঞ্চলিক পর্বের কুইজ বিজয়ী -২০১৫। সেরা শিক্ষার্থী অ্যাওয়ার্ড -BSB ফাউন্ডেশন -২০১৮। রেমিয়ান্জ ল্যাঙ্গুয়েজে ক্লাব -৫ম ন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজে ফেস্ট -এনাগ্রাম ওয়ার্ড বিল্ডিং এ তৃতীয় -২০১৮। রেমিয়ান্জ ল্যাঙ্গুয়েজে ক্লাব -৫ম ন্যাশনাল ল্যাঙ্গুয়েজে ফেস্ট- বাংলা স্ক্রিপ্ট রাইটিং এ তৃতীয় -২০১৮। তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী’র ২২তম জন্মদিন উপলক্ষে জাতীয় ত্বকী চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা -২০১৭-৫ম স্থান  -সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চ। ফার্স্ট ন্যাশনাল ফটোগ্রাফার অ্যাওয়ার্ড -তৃতীয় স্থান -বাংলাদেশ ডিবেটিং সোসাইটি ফোটোগ্রাফি ক্লাব -২০১৭। দ্বিতীয় বাংলাদেশ জুনিয়র সাইন্স অলিম্পিয়াড(BDJSO ) -২০১৬- সেকেন্ড রানার্স আপ। ন্যাশনাল হাই স্কুল প্রোগ্রামিং কনটেস্ট -২০১৭- আঞ্চলিক পর্যায়ে ICT কুইজ উইনার। উপস্থিত বক্তৃতা ইংরেজি -২০১৭-মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল এন্ড কলেজ সাংস্কৃতিক সপ্তাহ-১ম স্থান। বিতর্ক – ২০১৭-মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল এন্ড কলেজ সাংস্কৃতিক সপ্তাহ-রানার্স আপ।  জাতীর  পিতা বংঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর ৯৮ টম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস (২০১৭)-জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা -‘গ ‘ বিভাযে সেরা। ইংরেজি কবিতা আবৃতি-১ম স্থান  -মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল এন্ড কলেজ সাংস্কৃতিক সপ্তাহ-২০১৮। বাংলা ও ইংরেজি উপস্থিত বক্তৃতা -৩য় স্থান -মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল এন্ড কলেজ সাংস্কৃতিক সপ্তাহ-২০১৮। বিতর্ক -বিজয়ী -মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল এন্ড কলেজ সাংস্কৃতিক সপ্তাহ-২০১৮। খুদে গবেষক হিসেবে মনোনীত  হওয়া -খুদে গবেষক সম্মেলন -২০১৭-চিন্তার চাষ। কেনেডি লুগার ইয়ুথ এক্সচেঞ্জ এন্ড স্টাডি প্রোগ্রাম(KL-YES)-আমেরিকা-বাংলাদেশ সাংষ্কৃতিক তরুণ রাষ্ট্রদূত হিসেবে মনোনীত হওয়া -২০১৮। ঢাকা কলেজ ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত -ঢাকা কলেজ ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ফেস্টিভ্যাল -এনাগ্রাম এ দ্বিতীয় স্থান। লালমাটিয়া সায়েন্স ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থান। লালমাটিয়া সায়েন্স ক্লাব কর্তৃক আয়োজিত সায়েন্স অলিম্পিয়াডে তৃতীয় স্থান। ক্রিমসন বাংলাদেশ কর্তৃক আয়োজিত বিজ্ঞান রচনা লিখন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *